মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

জাবরহাট ইউনিয়নের ইতিহাস

জাবরহাট ইউনিয়নটি ১৯৬২ সালে সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় আগে বৈরচুনা ও জাবরহাট দুইটি ইউনিয়ন একত্রে ছিল  পরে দুটি আলদা ইউনিয়নে বিভক্ত হয়জাবরহাট ইউনিয়নের এক অনন্য চেয়ারম্যান ছিলেন জয়নাল আবেদিন পীরগঞ্জ উপজেলার মধ্যে সর্বপ্রথম জাবরহাট ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন প্রতিঠ্ষিত হয়

জাবরহাট ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে রয়েছে নানান ধরনের ইতিহাস নিচে আলোচনা করা হল:-

 

রাজভিটা:---

          জাবরহাট ইউনিয়নের সবচেয়ে প্রাচিনতম ইতিহাস রয়েছে এই জায়গাকে কেন্দ্র করে । জায়গাটি জাবরহাট ইউনিয়নের হাটপাড়া গ্রামে অবস্থিত। এই জায়গা সম্পর্কে পরিস্কার কোন ধারনা পাওয়া যায় না কারন এই জায়গাটির উদ্ভব ঘঠে টাঙ্গন নদীর ধারে হঠাৎ করে । এখানে পাওয়া যায় অনেক প্রাচিন বিল্ডিং আর শৈত পাথরের মূর্তিসহ নানান ধরনের নিদর্শন কিন্তু সরকারী বেসরকারী কোন উদ্যোগ না থাকায় আজ এসব বিলুপ্তির পথে , এই স্থানটি দখল করে আছে নানা অবৈধ দখলদাররা ।

 

টাঙ্গন নদী( উইলিয়াম কেরি ):-

                     টাংগন নদীর এই ইতিহাসটি বৃহ: দিনাজপুর অথাৎ দিনাজপুর, ঠাকুরগাও এবং পঞ্চগড়ের জন্য বিশেষ উল্লেখযোগ্য । আগে ব্যবসা বানিজ্য ঘটত একমাত্র পানিপথে ।টাংগন নদীর সাথে সম্পর্কিত এই ইতিহাসটি আমার ইউনিয়নে তুলে ধরলাম ।

১৭০০ সালের শেষের দিকে সিলেটে ধর্মপ্রচারের লক্ষে বাংলাদেশ আসেন উইলিয়াম কেরি, কিন্তু বৃটিশ সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় তিনি পানি পথে টাঙ্গন নদী হয়ে চলে আসেন দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ থানার সাদামহল গ্রামে । এখানে তিনি দ্বিতিয় নিলকুঠিতে কর্মরত ছিলেন । উইলিয়াম কেরি, সাদামহল গ্রামে শালবনে দুটি বিল্ডিং স্থাপন করেন যার একটির রং ছিল লাল আর একটির রংছিল সাদা তিনি সাদা রংএর বিল্ডিং এ থাকতেন বলে এই গ্রামের নামকরন হয় সাদামহল ।

উইলিয়াম কেরি এই অঞ্চলে সর্বপ্রথম ফুলকপি, বাধাকপি, টমেটো ও আলুর চাষবাদ চালু করেন ।

পরবতির্তে উইলিয়াম কেরি বাংলা ভাষা নিয়ে গবেষনা শুরুকরেন ভারতে যান আর উইলিয়াম কেরি পোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রষ্ঠিত করেন ।

বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের প্রবর্তক: উইলিয়াম কেরি / ড. ... ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা, প্রাদ্রী, শিক্ষাবিদ আধুনিক বাংলা গদ্য ও অভিধানের প্রধান পরিকল্পনাকারী উইলিয়াম কেরি ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৭ আগস্ট ইংল্যান্ডের নর্দানটমশায়ারের ... ১৮৩৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ জুন শ্রীররামপুরে ইউলিয়াম কেরির মৃত্যু হয়

 

মুক্তিযুদ্ধ:-

       মুক্তিযোদ্ধকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে রয়েছে, অনেক ইতিহাস জীবন দিতে হয়েছে অনেক নিরহ বাঙ্গালিকে । সম্ভ্রম হারিয়েছে অনেক নারি ।বিশেষ করে যুবকদের ধরে নিয়ে যেত পাকহানাদার বাহিনী । পুরাতন ইউনিয়ন পরিষোদের পাশেই ট্রেনিং হত মুক্তিযোদ্ধাদের ।

বঙ্গবন্ধু বাজার:--

            স্বাধীনতা যুদ্ধের কিছু পরের কথা ।জাবরহাট ইউনিয়নে মালঞ্চা গ্রামে এক জমজমাট বাজার ছিল বঙ্গবন্ধু বাজার। এই বাজারটি ছিল খুবই জনপ্রীয় কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও সাম্প্রদায়িক প্রতিহিংসার কারনে বাজারটি অপ্রীয় থেক অপ্রীয়তে পরিনত হয় এবং অবশেষে বিলুপ্তি ঘটে এই বাজারের ।

মুক্তিযোদ্ধের পর পর শুরু হয় এই বাজারটির নামকরন করাহয় মুক্তিযোদ্ধার মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর নাম অনুসারে । কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেত গ্রাম প্রধান নির্বাচন নিয়ে শুরু ফেসাদ । এই যোগড়া এক সময় রূপ নেয় মারা-মারিতে যা শেষ বঙ্গবন্ধু বাজারেরজমি দখল করে বাজারকে শেষ করার মাধ্যমে ।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter